২৩ মার্চ : ‘ছোট্ট অভিযান’ বলে যে যুদ্ধ শুরু করেছিল আমেরিকা তা আজ ২২ দিনে পড়েছে। পরিস্থিতি যে এতখানি গুরুতর আকার নিতে পারে তা স্বপ্নেও ভাবেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর কার্যত ‘আহত বাঘে’ পরিণত হয়েছে ইরান। জানা যাচ্ছে, ট্রাম্প, নেতানিয়াহুদের বিস্মিত করে ইজরায়েল ও আমেরিকার একাধিক ঘাঁটিতে একসঙ্গে ৭৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান।
শুধু তাই নয়, আমেরিকাকে হুমকি দিয়ে জানানো হয়েছে, যদি আমেরিকা ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায় তবে পুরোপুরি বন্ধ করা হবে হরমুজ।
গত শনিবার রাতে ইজরায়েলের দুটি পরমাণু গবেষণাকেন্দ্র ডিমোনার শিমন পেরেস নেগেভ ও আরাদে হামলা চালিয়েছিল ইরান। সেই হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় দুই শহর। যার জেরে ৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন ইজরায়েলে। সেই হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘাঁটিতে মারণ আঘাত হানল ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, আইআরজিসি বা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে, ইজরায়েল ও আমেরিকার অসংখ্য ঘাঁটিতে একযোগে ৭৫টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তারা। যদিও ঠিক কোন কোন জায়গায় এই ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে সে বিষয়ে বিশদে কিছুই জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, ইরানের উপর হামলার পর এই সামরিক পদক্ষেপকে ছোট অভিযান বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুদ্ধের ৩ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি সেই ছোট অভিযান। বরং আমেরিকাকে বিস্মিত করে হামলার ঝাঁজ ব্যাপক বাড়িয়েছে তেহরান। বিশ্বের তৈল ধমনী হরমুজ বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি আমেরিকাকে চমকে দিয়ে ৪০০০ কিমি দূরে ব্রিটেনের দ্বীপে হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের মিসাইল কর্মসূচির এই সাফল্য দেখে স্তম্ভিত ইউরোপ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ছোট অভিযান বলে দাবি করা হলেও ইরানের পালটা মারে কার্যত দিশাহারা ট্রাম্প। যুদ্ধ এখন আর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণে নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।



