৩০ মার্চ : সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি জেট বিধ্বস্ত হয়েছে। এই অত্যাধুনিক বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘উড়ন্ত যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র’ হিসেবে পরিচিত, যা শত শত মাইলজুড়ে আকাশসীমা, ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে কমান্ডারদের সহায়তা করত। বিধ্বস্ত বিমান ও এর রাডার ডোমের ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫০ কোটি ডলার।
এই ঘটনায় ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা গুরুতর। পাশাপাশি পাঁচটি জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলাটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং উচ্চ-নির্ভুল ড্রোন ব্যবহার করে চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে হামলাকারীদের কাছে উন্নত গোয়েন্দা তথ্য ছিল।
এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, হামলার কয়েক দিন আগে রাশিয়া সৌদি ঘাঁটির স্যাটেলাইট ছবি সংগ্রহ করে ইরানকে সহায়তা করেছে। এই হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বড় ধরনের চাপে পড়েছে। ধ্বংস হওয়া ই-৩ সেন্ট্রি বিমানগুলো সাধারণত আকাশে প্রায় ২৫০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে অবশিষ্ট বিমানগুলোকে দ্বিগুণ দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, যা ক্রু সদস্য ও বিমানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। নতুন একটি ই-৩ সেন্ট্রি বিমান তৈরিতে প্রায় ৫০ কোটি ডলার খরচ হয় এবং দ্রুত এর বিকল্প ব্যবস্থা করা কঠিন।



